Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2019
              বাঁকুড়া এক্সপ্রেস :প্রথম পর্ব : শুশুনিয়া পাহাড়  এই ভ্রমণ সম্ভব হতো না যদি না সরোজ বলে আমার বন্ধুটি আমায় নিয়ে যেতো। এটি কেবল ছবির অ্যালবাম সাজানোর  প্রয়াস। আশা করি এই ভ্রমণ নিয়ে ঘটা মজার অভিজ্ঞতাগুলো অন্য কোনো দিন আপনাদের সাথে ভাগ করে নেবো। এই ভ্রমণ যে সময়ের তখন আমরা বেকার ,কিন্তু মন কবে বেকার তত্ত্ব মেনেছে ,ঘোরা পাগলরা এই তত্ত্বে বেঁধে থাকে না। তাই ৮ মেগাপিক্সেলের মোবাইল  ক্যামেরা সঙ্গে নিয়েই পাড়ি। ৩দিনের এই ভ্রমণে শুশুনিয়া পাহাড় ,বিষ্ণুপুর ও মুকুটমণিপুর আমরা কভার করে ছিলাম। বন্ধুটির জেঠা বাড়ী বাঁকুড়াতে হওয়ায় খরচা খুবই কম হয়েছিল। শুশুনিয়া পাহাড়ের ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে একটা ট্রেকিং টিম আমাদের সাথে নামছে ,আসলে পাহাড়ে গেলে অবশ্যই ঠিক জুতো ,কাপড় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র সাথে নেওয়া দরকার। আমাদের কাছে তখন এতো টাকাকড়ি ছিল না কেনার মতো। তবে জিন্স পেন্ট ,এমনি জুতো পরে পাহাড়ে যাওয়া উচিত না ,যেকোনো সময়ে বিপদ ঘটে যেতে পারে। আরো দু ভাগে মানে তৃতীয় পর্বে  মুকুটমণিপুরের ছবিগুলো দিয়ে এই  অ্যালবাম শেষ করবো। সাথে ...
                              এভারেস্টে প্রথম মহিলা  এভারেস্ট বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু  বিন্দু যার মাথায় পা দিয়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছে কম বেশী আমাদের সবারই থাকে। কিন্তু সেই সৌভাগ্য খুব কম জনেরই হয়। আজকে যার কথা বলবো তিনি আবার এভারেস্টে প্রথম আরোহন করা মহিলা। আমরা সবাই জানি এভারেস্টে প্রথম পা রেখেছিলেন নিউজিল্যান্ড দেশের নিবাসী  স্যার এডমন্ড হিলারি এবং সঙ্গে ছিলেন  নেপাল দেশের শেরপা তেনজিং নোরগে। এভারেস্টের সাথে এই দুই নামও অমর হয়ে রয়ে গেছে। ১৯০০ সালের পর থেকেই বিভিন্ন দেশ চাইছিলো এভারেস্ট জয়ের মুকুট মাথায় পরতে।সবাই সেইমতো চেষ্টাও চালাচ্ছিলো ,কিন্তু সাফল্য কারোর কাছেই ধরা দিচ্ছিলো না। খুব অল্পের জন্য ব্রিটিশরা এই মুকুট হাতছাড়া করে। ব্রিটিশ অভিযাত্রী জর্জ ম্যালোরি এভারেস্টের ৪নম্বর ক্যাম্পের কাছে নিখোঁজ হয়ে যান, সালটা ছিলো ৮ জুন ১৯২৪। জর্জ ম্যালোরি /সূত্র -গুগল  অনেকটাই কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন ম্যালোরি, কিন্তু এভারেস্ট জয়ের টিকা মাথায় পরতে পারলেন না। ম্যালোরি এভারেস্টের উত্তর দিক ম...
                                  তিরুপতি-তিরুমালা                                        ( প্রথম পর্ব  )                     ------------------------------------------------- অফিসের প্রচণ্ড কাজের চাপের মধ্যেও দুদিনের ছুটি বের করা গেল। অনেকদিন ধরে ইচ্ছে ছিল তিরুপতি যাওয়ার। বিশেষ করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেল এ তিরুপতি সংক্রান্ত ডকুমেন্টরি দেখার পর। কাজের সূত্রে হায়দরাবাদ আসাটাও ইচ্ছেকে আরো কাছে এনে দিলো। হায়দরাবাদ থেকে তিরুপতি নানাভাবে যাওয়া যায়। ট্রেন , বাস তো আছেই, পারলে সস্তার ফ্লাইট ও (১৫০০ টাকার মধ্যে ) বুক করে নিতে পারেন। আমরা redbus বুকিং এপ্লিকেশন থেকে অরেঞ্জ ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর বাস বুক করে ছিলাম। এসি বাস পরিষেবাও খুব ভালো। প্রত্যেক জন পিছু ৭৫০ টাকা লেগেছিলো। ( সূত্র- www.redbus.in)  রাত মোটামোটি ৯.৩০টার স...