বাঁকুড়া এক্সপ্রেস :প্রথম পর্ব : শুশুনিয়া পাহাড়
এই ভ্রমণ সম্ভব হতো না যদি না সরোজ বলে আমার বন্ধুটি আমায় নিয়ে যেতো। এটি কেবল ছবির অ্যালবাম সাজানোর প্রয়াস। আশা করি এই ভ্রমণ নিয়ে ঘটা মজার অভিজ্ঞতাগুলো অন্য কোনো দিন আপনাদের সাথে ভাগ করে নেবো। এই ভ্রমণ যে সময়ের তখন আমরা বেকার ,কিন্তু মন কবে বেকার তত্ত্ব মেনেছে ,ঘোরা পাগলরা এই তত্ত্বে বেঁধে থাকে না। তাই ৮ মেগাপিক্সেলের মোবাইল ক্যামেরা সঙ্গে নিয়েই পাড়ি। ৩দিনের এই ভ্রমণে শুশুনিয়া পাহাড় ,বিষ্ণুপুর ও মুকুটমণিপুর আমরা কভার করে ছিলাম। বন্ধুটির জেঠা বাড়ী বাঁকুড়াতে হওয়ায় খরচা খুবই কম হয়েছিল। শুশুনিয়া পাহাড়ের ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে একটা ট্রেকিং টিম আমাদের সাথে নামছে ,আসলে পাহাড়ে গেলে অবশ্যই ঠিক জুতো ,কাপড় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র সাথে নেওয়া দরকার। আমাদের কাছে তখন এতো টাকাকড়ি ছিল না কেনার মতো। তবে জিন্স পেন্ট ,এমনি জুতো পরে পাহাড়ে যাওয়া উচিত না ,যেকোনো সময়ে বিপদ ঘটে যেতে পারে। আরো দু ভাগে মানে তৃতীয় পর্বে মুকুটমণিপুরের ছবিগুলো দিয়ে এই অ্যালবাম শেষ করবো। সাথে অন্যান্য লেখাপত্রও চলছে। শেষে আমার বন্ধু সরোজ খুব ভালো থাকিস ,জলদি সুস্থ হয়ে যা ,আবার চল বেরিয়ে পড়ি।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত শুশুনিয়া পাহাড়। ৪৪৮ মিটার উচ্চতার এই পাহাড়ের অবস্থান বাঁকুড়া জেলার ছাতনাতে। এই পাহাড় বিখ্যাত বসন্তের অপরূপ শোভা ,বিভিন্ন রকমের গাছপালা আর পর্বতারোহীদের রক ক্লাইম্বিং এর জন্য। এই পাহাড়ে অনেক ঔষধি গুনমানযুক্ত গাছ পাতা রয়েছে। প্রত্যেক বছর এখানে প্রচুর লোকজন আসেন ক্যাম্পিং এর জন্য। শুশুনিয়া গ্রামটিও বিখ্যাত এখানকার লোকেদের তৈরী পাথরের মূর্তির জন্য। শুশুনিয়া পাহাড়ের নিচে এরকম বহু দোকান পেয়ে যাবেন ,আপনি পছন্দসই মূর্তি কিনতে পারেন আবার বানিয়ে নিতেও পারেন। এই শুশুনিয়া পাহাড়ের ঠিক নিচেই এক অজানা জলের উৎস দেখতে পেয়ে যাবেন ,পাহাড়ের কোথা থেকে যে এই জল নেমে আসছে তা কেউ জানে না।যা খাওয়া নাকি শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। বহুলোক দেখবেন এইজল পান করছে বা কেউ তা বয়ে বাড়ীও নিয়ে যাচ্ছে। তবে মতামত ব্যাক্তিগত।
এখানে আসার জন্য বাঁকুড়া স্টেশনে নেমে বাস ধরে ১৩ কিমি দূরের ছাতনা আসতে হবে তারপর এই ছাতনা থেকে ১০ কিমি উত্তর -পূর্বে গেলেই সামনে পড়বে শুশুনিয়া পাহাড়। শীতকাল এই জায়গায় আসার পক্ষে আদর্শ।দেখার বলতে শুশুনিয়া পাহাড়ে উঠে পড়তে পারেন। তিনটে পাহাড় টপকে তবে মূল শীর্ষে ওঠা যায়। অনেকটা সময় লাগে তাই একটু সকাল সকাল উঠলে ভালো হয়। পাহাড়ে ওঠার সময় আশে পাশের জঙ্গল দেখতে মন্দ লাগবে না। মূল শীর্ষ থেকে ভিউ পয়েন্ট তো এককথায় অতুলনীয়। পাহাড় চড়া হয়ে গেলে শুশুনিয়া গ্রামে গিয়ে পাথরের তৈরী নিপুন শিল্পকর্ম দেখতে ভুলবেন না। একদিনেই ঘুরে আসা যায়। অনেকে শুশুনিয়া পাহাড়ের সাথে বিষ্ণুপুর কেও জুড়ে দেয় একদিনের ভ্রমণ হিসেবে। তবে যদি হাতে সময় নিয়ে যান তবে শুশুনিয়াতে এক রাত থেকেও যেতে পারেন।
![]() |
"প্রাকৃতিক দোলনা " |
![]() |
| "পাথরের বাটি ঘটি " |
![]() |
| "আমাদের ক্যামেরা বাহক " |
![]() |
| "শেষ কয়েকটা সিঁড়ি " |
![]() |
| "ওরা তিন জন " |
![]() |
| "এটা কি ছিল ?" |
![]() |
| "সত্যি প্রচুর ঠান্ডা ছিল " |
![]() |
| "পয়েন্ট ৩ থেকে নামার পথে " |
![]() |
| "আমাদের সিনেমার ডিরেক্টর " |
![]() |
| "শেষ কয়েকটা ধাপ " |
![]() |
| "বন্ধুকে সাহায্য " |
![]() |
| "এই জায়গাটা সত্যি খুব খাঁড়া ছিলো " |
![]() |
| "নকল করবেন না প্লিজ " |
![]() |
| "পয়েন্ট ওয়ান থেকে নিচে নামার পথে " |
![]() |
| "রাস্তা বড্ড পাথুরে " |
![]() |
| "নামার পথে " |
![]() |
| "ক্ষণিক বিশ্রাম ,ক্ষণিক পোজ " |
![]() |
| "নড়বড়ে পাথর " |
![]() |
| "আমি অনেকটা আগেই নামছিলাম ,তাই ক্ষণিক রেস্ট " |
![]() |
| "ট্রেকিং টিমের সাথে নেমে যাওয়া " |
![]() |
| "এটাই শুশুনিয়া পাহাড়ের উচ্চতম বিন্দু " |
![]() |
| "পাহাড়ের ধর্ম -বিশ্বাস " |
![]() |
| "মিশন পসিবল ,পয়েন্ট ৩ শুশুনিয়া পাহাড় " |
![]() |
| "সকালের বাঁকুড়া শহর " |
![]() |
| "সকালের প্রচুর ঠান্ডায় জবুথুবু " |
![]() |
| "নাম না জানা জংলী গাছ " |
![]() |
| "আমার ভ্রমণ সঙ্গী ,পেছনে পাহাড় থেকে আসা জল " |
![]() |
| "শুশুনিয়া পাহাড়ে পয়েন্ট ওয়ান ওঠার পথে " |
![]() |
| "পাহাড়ের ওপরের গাছপালা " |
![]() |
| "শুশুনিয়া পাহাড়ের তিন নম্বর পয়েন্ট ,পেছনে ট্রেকিং টিম " |
![]() |
| "ঝোপঝাড় " |
![]() |
| "বিপদজনক ,পয়েন্ট ৩ থেকে খানিক এগিয়ে " |
![]() |
| "পাথরের শ্রেণী " |
![]() |
| "পয়েন্ট ২ থেকে ওয়ান যাওয়ার পথে সমতল একটা জায়গা " |
![]() |




































Comments
Post a Comment