Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2019
  একটি চার্চের ইতিকথা                                                 চার্চের সামনে তখন বহু মানুষের ভিড় জমে গেছে। বেশ কিছু ফটোগ্রাফার হাতে ক্যামেরা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদের হাতে  অ্যালবাম গোছেরও কিছু একটা আছে দেখা যাচ্ছে। যারা আসছেন চার্চে তারা কেউ কেউ দরদাম করে ছবি তুলছেন,ওদিকে চার্চের ভেতরে তখন প্রার্থনা শুরু হয়ে গেছে। ঠিক এমনই এক সময় আমাদের বাস মেদাক  বাস টার্মিনালে এসে দাঁড়ালো। বাস থেকে নেমে প্রথমেই যেটা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো সেটা হলো এক বিশাল বড় গেট যেখানে বড়ো বড়ো অক্ষরে লেখা আছে " চার্চ অফ সাউথ ইন্ডিয়া মেদক ডিওসিসে ক্যাথিড্রাল মেদাক।            চার্চে ঢোকার মূল গেট  আমরা তখনও জানতাম না আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেটা শুধু দক্ষিন ভারত নয় গোটা ভারতের মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে বড়ো চার্চ। এর অবস্থান তেলেঙ্গানা রাজ্যের মধ্যে অবস্থিত মেদাক নামক শহরে যেটা কিনা হায়দরাবাদ শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত...
              বাঁকুড়া এক্সপ্রেস :দ্বিতীয় পর্ব : মুকুটমণিপুর   মুকুটমণিপুর কে অনেকে কংসাবতী ব্যারাজ বলেও চেনে। অর্থাৎ কাঁসাই নদীতে বাঁধ দিয়ে যেখানে জল ধরে রাখা হয়েছে সেটাই মুকুটমণিপুর। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাঁকুড়া জেলাতে দর্শনীয় স্থান বলে যদি গুগলে খোঁজা হয় তবে মুকুটমণিপুরের নাম উঠে আসবে অবশ্যই। একদিন বা  দুদিনের জন্য এই স্থান কাছে পিঠের মধ্যে আদর্শ এক  জায়গা। সব মরশুমেই লোকজনের আনাগোনা থাকে এখানে  তবে শীতকালে লোকজন যেন উপচে পড়ে মুকুটমণিপুরে। বিশেষতঃ ২৫ শে  ডিসেম্বর ও ১লা জানুয়ারীর দিনে এখানে দাঁড়াবার পর্যন্ত জায়গা থাকে না। আমরাও শীতকালে ভুলে যাওয়া কোনো এক তারিখে মুকুটমণিপুর গিয়েছিলাম বন্ধু সরোজের সাথে বাঁকুড়া শহর থেকে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বহুবার এই জায়গায় এসেছি নানাভাবে। লোকজন বেশিরভাগ নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যেতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করে তবে লোকাল পরিবহন ব্যবহার করেও এখানে আসা যায়। বাঁকুড়া ভ্রমণের তিন নম্বর জায়গা হিসেবে আমরা মুকুটমণিপুর স্থির করেছিলাম।  মুকুটমণিপুর বাঁকুড়া জেলার খাতড়া ডিভিশনে পড়ে। কংসাবতী নদী বা কাঁসাই নদ...