Skip to main content

Posts

মন্দিরময় পাথরা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ.   এইসময় যখন আমরা প্রত্যেকেই ব্যাগ গুছিয়ে কোথাও একটা বেরিয়ে পড়ার কথা ভাবছি, আবার করোনা অতিমারীর কথা মাথায় রেখে, সমস্ত ইচ্ছেকে বাক্সবন্দী করতে হচ্ছে, ঠিক সেই সময় আমি আশেপাশের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সুপ্রাচীন,ইতিহাসে স্থান করে নেওয়া লুক্কায়িত জায়গার খোঁজ করছিলাম, পেয়ে গেলাম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার, মেদিনীপুর সদর ব্লকের একটি ঐতিহাসিক অথচ অবহেলিত জায়গা, নাম মন্দিরময় পাথরা. " পাথরার মন্দির " টেরাকোটা শিল্পকার্যের এক অসাধারণ নিদর্শন এই মন্দিরময় পাথরা. শোনা যায় এই গ্রামে এককালে 200 খানি মন্দির ছিলো, তবে কালের হাওয়ায়, এবং যত্নের অভাবে তা আজ বিলুপ্ত. ভাবতে খারাপ লাগে, আমরা আমাদের ইতিহাসকে যত্ন করে ধরে রাখতে পারিনি, আগামীকাল আর বেশী দূর নেই, যখন শুনতে হতে পারে, বাঙালির কোনো ইতিহাস নেই. যেকটা মন্দির এই পাথরা তে রয়েছে, তা বিলুপ্ত হয়ে গেলে, এই সুপ্রাচীন গ্রামটিকেও আমরা ভুলে যাবো, তা বলাই বাহুল্য. " পাথরার নাট মন্দির " তবু কিছু মানুষজন যায়, বাঙালির ইতিহাস কে ধরে ...
Recent posts
সাইকেল অভিযান :পর্ব এক  রাধামোহনপুর হইতে মেচগ্রাম  সময়টা ২০১৯ সাল ,আমি তখন হায়দ্রাবাদে কর্মসূত্রে থাকি। সকাল ১০টার সময় মাঝে মাঝে যখন রবিবারের দিনেও অফিস যেতে হতো দেখতাম কিছু ছেলে সাইকেল চালিয়ে ফিরছে। এইরকম ঘটনা বার কয়েক বহুবার ঘটেছে, দেখেছি যে সাইকেল আমি চালাতাম গ্রামে তার থেকে বেশ আধুনিক সাইকেল এরা চালাচ্ছে ,পোশাক পরিচ্ছদ ও বেশ অন্যরকমের। ছুটির দিন গুলোতেই এদের বেশি করে চোখে পড়তো।  একদিন একটি  দোকানে চা পান করছি ,ঠিক সেইসময় বেশ কিছু যুবক এসে দোকানে জটলা করলো। সেই একরকমের পোশাক পরে সাইকেল নিয়ে তারা এসেছে। ওরা নিজেদের মধ্যে যে কথা বলছিলো তার সারমর্ম হলো -ওরা ভোর থেকে বেরিয়েছিল ৭০ কিমি সাইকেল চালিয়ে ফিরছে।  কিছুক্ষন চুপ করে ওদের কথা শোনার পর ,আমি নিজে গিয়ে ওদের সাথে পরিচয় করলাম। প্রায় ঘন্টা খানেক আড্ডা মারার পর যা জানতে পারলাম তা শুনে থ মেরে গেলাম। আড্ডার ফলস্বরূপ ডিক্যাথলন আর ৫০০০ টাকা ব্যায় করে একটি সাইকেল কিনে ফেললাম।  ওরা আমায় আমন্ত্রণ জানালো বিভিন্ন ইভেন্টে যোগ দেওয়ার জন্য কিন্তু অফিস বা এককথায় বললে পেটের দায়ে ইভেন্টগুলোতে যোগ দিতে পারছিলাম না। এদিক...
TOPIC: YOUTH HOSTELS IN WEST BENGAL What is Youth Hostel: A place providing cheap accommodation, aimed mainly at young people on walking or cycle tours. Purpose: Those who are like Budget travelling or doing solo travelling mainly prefer Youth Hostels. Where you find youth Hostels? All over the world you can find youth hostels ,in West Bengal also you find many youth hostels around many places. Who are eligible for Youth Hostels? All citizens can apply for booking for accommodation in various youth hostels. Online/Manual Booking systems: Anyone can book Youth hostel through online youth hostel booking portal. There you can check the room types ,availability and their tariff plans. You can also pay online through debit/credit /upi . By manually you can visit state youth centre  in Moulali, Kolkata and do the bookings. Rules and Guidelines of the Youth Hostels: Youth Hostels in West Bengal: 1. Kanchanjangha Youth Hostel( Siliguri) 2. Mukutmanipur Youth Hostel 3.Digha Y...
  একটি চার্চের ইতিকথা                                                 চার্চের সামনে তখন বহু মানুষের ভিড় জমে গেছে। বেশ কিছু ফটোগ্রাফার হাতে ক্যামেরা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদের হাতে  অ্যালবাম গোছেরও কিছু একটা আছে দেখা যাচ্ছে। যারা আসছেন চার্চে তারা কেউ কেউ দরদাম করে ছবি তুলছেন,ওদিকে চার্চের ভেতরে তখন প্রার্থনা শুরু হয়ে গেছে। ঠিক এমনই এক সময় আমাদের বাস মেদাক  বাস টার্মিনালে এসে দাঁড়ালো। বাস থেকে নেমে প্রথমেই যেটা আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো সেটা হলো এক বিশাল বড় গেট যেখানে বড়ো বড়ো অক্ষরে লেখা আছে " চার্চ অফ সাউথ ইন্ডিয়া মেদক ডিওসিসে ক্যাথিড্রাল মেদাক।            চার্চে ঢোকার মূল গেট  আমরা তখনও জানতাম না আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেটা শুধু দক্ষিন ভারত নয় গোটা ভারতের মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে বড়ো চার্চ। এর অবস্থান তেলেঙ্গানা রাজ্যের মধ্যে অবস্থিত মেদাক নামক শহরে যেটা কিনা হায়দরাবাদ শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত...
              বাঁকুড়া এক্সপ্রেস :দ্বিতীয় পর্ব : মুকুটমণিপুর   মুকুটমণিপুর কে অনেকে কংসাবতী ব্যারাজ বলেও চেনে। অর্থাৎ কাঁসাই নদীতে বাঁধ দিয়ে যেখানে জল ধরে রাখা হয়েছে সেটাই মুকুটমণিপুর। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাঁকুড়া জেলাতে দর্শনীয় স্থান বলে যদি গুগলে খোঁজা হয় তবে মুকুটমণিপুরের নাম উঠে আসবে অবশ্যই। একদিন বা  দুদিনের জন্য এই স্থান কাছে পিঠের মধ্যে আদর্শ এক  জায়গা। সব মরশুমেই লোকজনের আনাগোনা থাকে এখানে  তবে শীতকালে লোকজন যেন উপচে পড়ে মুকুটমণিপুরে। বিশেষতঃ ২৫ শে  ডিসেম্বর ও ১লা জানুয়ারীর দিনে এখানে দাঁড়াবার পর্যন্ত জায়গা থাকে না। আমরাও শীতকালে ভুলে যাওয়া কোনো এক তারিখে মুকুটমণিপুর গিয়েছিলাম বন্ধু সরোজের সাথে বাঁকুড়া শহর থেকে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বহুবার এই জায়গায় এসেছি নানাভাবে। লোকজন বেশিরভাগ নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যেতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করে তবে লোকাল পরিবহন ব্যবহার করেও এখানে আসা যায়। বাঁকুড়া ভ্রমণের তিন নম্বর জায়গা হিসেবে আমরা মুকুটমণিপুর স্থির করেছিলাম।  মুকুটমণিপুর বাঁকুড়া জেলার খাতড়া ডিভিশনে পড়ে। কংসাবতী নদী বা কাঁসাই নদ...